আর্যাবর্তবর্ণনম (প্রথম অধ্যায়) উচ্চ মাধ্যমিক ।। উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন।। Higher Secondary Education

আর্যাবর্তবর্ণনম (প্রথম অধ্যায়) উচ্চ মাধ্যমিক ।। উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন।। Higher Secondary Education 
আর্যাবর্তনম (প্রথম অধ্যায়) উচ্চ মাধ্যমিক ।। উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন।। Higher Secondary Education



1) আর্যাবর্তের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ- কবি ত্রিবিক্রমভট্ট তাঁর ‘আর্যাবতবর্ণনম্' নামে কাব্যাংশে আর্যাবর্ত দেশের একটি সুন্দর সুললিত বর্ণনা দিয়েছেন। মনুসংহিতায় এই দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এইভাবে বলা হয়েছে—
“আসমুদ্ৰাৎ তু বৈ পূর্বাদাসমুদ্ৰাৎ তু পশ্চিমাৎ। 
তয়োরেবান্তরং গির্যোরার্যাবর্তং বিদুবুধাঃ।।”

       অর্থাৎ হিমালয় থেকে দক্ষিণে এবং বিন্ধ্যাচল থেকে উত্তরে এবং যে অঞ্চলের পূর্বে ও পশ্চিমে সমুদ্র আছে সেই অঞ্চলকে আর্যাবর্ত বলা হয়।

      কবির বর্ণনার মধ্য দিয়ে এই আর্যাবর্তের অসাধারণ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ধরা পড়েছে। সংক্ষেপে সেগুলি এইভাবে উপস্থাপিত করা যায়—

         ভারতবর্ষে আর্যাবর্ত নামে এক দেশ আছে। এই দেশ জল ও শস্যে মনোহর। এই দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে গঙ্গা ও চন্দ্রভাগা। ভারতবর্ষের অলংকার স্বরূপ এই দেশে চুরি প্রভৃতি কোনো উপদ্রব নেই, নেই বর্ণব্যবস্থার কোনো বিচ্যুতি।

       এই দেশে মানুষের মধ্যে রোগ বিরল। এদের ফোড়া-ঘা ও প্লীহারোগের বৃদ্ধি দেখা যায় না। গলগণ্ড রোগও এখানে নেই।

এই দেশের গ্রামে গ্রামে চতুর গোয়ালাদের বাস। পাহাড়ি বনাঞ্চলে হাতির বাচ্চারা ঘুরে বেড়ায়। নগরের ছোটো ছোটো জায়গাতেও রয়েছে উঁচু উঁচু সব বাড়ি। পিয়াল আর কাঁঠাল গাছে ভরা বন। আখখেতের মধ্যে রস বিতরণের জন্য অনেক দানশালা। আর, প্রসিদ্ধ হল আর্যাবর্তে বড়ো বড়ো গভীর কুয়োগুলি।

      এই আর্যাবর্ত দেশ সুশাসিত। এখানকার সমৃদ্ধিমান মানুষদের | কেউ কেউ খুবই অহংকারী। কুলীনেরা কুলহীনকে উপহাস করেন। গরিবরা বিপুল সম্পদশালীদের উপহাসের পাত্র হন।

     আর্যাবর্তে ঘরে ঘরে শুভ্রবর্ণা নারী। বাড়িতে বাড়িতে সুন্দর সুন্দর ঘোড়া। লোকরক্ষকেরা অত্যন্ত দানশীল। এই দেশে বহু দয়ালু মানুষের বাস। এর উত্তরের উচ্চ ভূমিতে হিমালয় সবচেয়ে পবিত্র স্থান। এমন আর্যাবর্ত দেশ সকলের কাছেই প্রিয়।

2)  কবি ত্রিবিক্রমভট্ট তাঁর 'आर्यावर्तवर्णनम्'-এ কেমনভাবে ব্যাকরণে অজ্ঞ ব্যক্তির সাথে আর্যাবর্তের তুলনা করেছেন তা বুঝিয়ে দাও।

 উত্তরঃ- কবি ত্রিবিক্রমভট্ট তাঁর ‘আর্যাবর্তবর্ণনম্' নামক কাব্যাংশে ভঙ্গশ্লেষ অলংকার ব্যবহার করে আর্যাবর্তের এক অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক বর্ণনা করেছেন। সেই বর্ণনায় অনেক ভঙ্গশ্লেষ অলংকারের মধ্যে একটি হল ব্যাকরণে অজ্ঞ ব্যক্তির সাথে আর্যাবর্ত দেশের তুলনা। কবির বর্ণনা অনুসারে আমরা বিষয়টি উপস্থাপিত করতে পারি।

         কবি বলেছেন ব্যাকরণ শাস্ত্রে অজ্ঞ ব্যক্তি ‘অদৃষ্ট-প্রকৃতি নিপাতোপসর্গ-লোপ-বর্ণবিকারঃ' আর, আর্যাবর্ত দেশও ‘অদৃষ্ট | প্রকৃতিনিপাতোপসর্গ-লোপ-বর্ণবিকারঃ”। তাই আর্যাবর্ত ব্যাকরণ শাস্ত্রে অজ্ঞ ব্যক্তির সাথে তুলনীয়।

       সংস্কৃত ব্যাকরণ শাস্ত্রের কয়েকটি আলোচনীয় বিষয় হল প্রকৃতি, নিপাত, উপসর্গ, লোপ ও বর্ণবিকার। ধাতু হল প্রকৃতি। চ, বৈ, তু, হি প্রভৃতি হল নিপাত। প্র, পরা প্রভৃতি ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হলে তারা হয় উপসর্গ। বর্ণের অদর্শন ঘটলে সেটি হয় লোপ। আর, বর্ণের পরিবর্তন ঘটলে সেই পরিবর্তনকে বলা হয় বর্ণবিকার। যে ব্যাকরণ শাস্ত্রেই অজ্ঞ সে ব্যাকরণের এই সমস্ত বিষয়গুলি জানে না।

         তেমন ভাবেই আর্যাবর্ত দেশের বৈশিষ্ট্যটিও এই বিশেষণগুলির মধ্যে ধরা আছে। এই সেই আর্যাবর্ত দেশ যেখানে ‘প্রকৃতিনিপাত’ মানে বংশচ্যুতি দেখা যায় না, ‘উপসর্গ’ মানে চুরি প্রভৃতি উপদ্রব দেখা যায় না, ‘লোপ’ মানে দেবদায়, ব্রহ্লদায় প্রভৃতি নিয়মের উল্লঙ্ঘন দেখা যায় না এবং ‘বর্ণবিকার’ মানে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় প্রভৃতি বর্ণব্যবস্থার বিচ্যুতি দেখা যায় না।

3) আর্যাবর্ত দেশকে কেমনভাবে শিবের জটাজালের সাথে তুলনা করা হয়েছে তা বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ-   খ্রিস্টীয় দশম শতাব্দীর প্রথিতযশা কবি ত্রিবিক্রমভট্ট তাঁর নলচম্পূ রচনার দ্বারা সংস্কৃত সাহিত্যে অমর স্থান অধিকার করেছেন। সেই নলচম্পূর প্রথম উচ্ছ্বাসের অন্তর্গত ‘আর্যাবর্তবর্ণনম্' নামক পাঠ্যাংশে ভঙ্গশ্লেষ অলংকারের সাহায্যে আর্যাবর্ত অঞ্চলের সুন্দর সুললিত এক বর্ণনা দিয়েছেন। একটি শব্দকে বিভিন্নভাবে ভেঙে দুটি করে অর্থ হলে সেখানে ভঙ্গশ্লেষ অলংকার হয়। সেই ভঙ্গশ্লেষ অলংকারের সাহায্যে আর্যাবর্ত অঞ্চলকে শিবের জটাজালের সাথে তুলনা করেছেন।

        শিবের জটাজাল থেকে গঙ্গার নিঃসরণ হওয়ার জন্য শিবের জটাজাল গঙ্গার পবিত্র জলে ধৌত হয়েছে। ঠিক তেমনি এই আর্যাবর্ত দেশও গঙ্গার দ্বারা ধৌত। আর্যাবর্তের উত্তর থেকে ক্রমশ পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে এই নদী। তা ছাড়া, শিবের জটাজালের খানিক অংশ 'চন্দ্রভাগালংকৃত' অর্থাৎ চন্দ্রকলার দ্বারা অলংকৃত। আর্যাবর্ত দেশও ‘চন্দ্রভাগালংকৃত’ অর্থাৎ এই দেশের শিরোভাগের একাংশ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে চন্দ্রভাগা নদী। তাই এই দেশ চন্দ্রভাগা নদী দ্বারা অলংকৃত। এইভাবে আর্যাবর্ত দেশ শিবের জটাজালের সাথে তুলনীয় হয়েছে। চন্দ্রভাগা নদীর আধুনিক নাম চেনাব।

4) "सकलसंसारसुखभाजः प्रजा: ” —আর্যাবর্তের কোন্ কোন্ অসামান্য বৈশিষ্টের জন্য কবি ত্রিবিক্রমভট্ট এই মন্তব্য করেছেন তা বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ-  খ্রিস্টীয় দশম শতাব্দীর কবি ত্রিবিক্রমভট্ট তাঁর ‘আর্যাবর্তবর্ণনম্' কাব্যাংশে ভারতবর্ষের আর্যাবর্ত অঞ্চলের সুন্দর সুললিত এক বর্ণনা দিয়েছেন।

         কবি বলেছেন “সকলসংসারসুখভাজঃ প্রজাঃ” অর্থাৎ আর্যাবর্তের প্রজারা সংসারের সব সুখ ভোগ করেন। সেই সুখভোগের বৃত্তান্তও উপস্থাপিত করেছেন কবি। এখানকার গ্রামগুলি গোপশোভিত হওয়ায় দুধের অভাব নেই। নগরে বড়ো বড়ো বাড়ি রয়েছে। এখানে দানভোগে রত অনেক মানুষ আছে। এখানে সুপেয় জলের গভীর কুয়ো আছে প্রচুর। এখানকার কুল-নারীরা সতীব্রত পালনের ফলে শুষ্ক-স্বভাবা। এখানে নিরন্তর ধর্ম-কর্মের উপদেশ দেওয়া হয়। সেই উপদেশ পালন করার ফলে এখানকার প্রজাদের সমস্ত অসুখ-বিসুখ দূর হয়ে গিয়েছে। আচার্য, ধর্মগুরু প্রভৃতি সমাজের শ্রদ্ধেয় মানুষেরা প্রজাদের মধ্যে ধর্মাচরণের কথা বলেন, শুদ্ধ জীবনের কথা বলেন ও পরোপকারের কথা প্রচার করেন। সেগুলি পালনের মধ্যে দিয়ে প্রজাদের সমস্ত শারীরিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক দুঃখকষ্টের অবসান হয়েছে, এটা এই দেশের এক বড়ো বৈশিষ্ট্য। এখানকার মানুষেরা তাই শতায়ু। আর্যাবর্তের মানুষদের শারীরিক সুস্থতা লক্ষ করা যায়। তাদের শরীরে ফোড়াঘা ইত্যাদি হয় না। কোনো দুষ্টুগ্রহগ্রস্ত হয় না এরা। পাঞ্চভৌতিক দেহ নিয়ে প্রজারা জন্মগ্রহণ করে, বড়ো হয়, সুখভোগ করে। কিন্তু প্রাণীরা ভূত-প্রেত = প্রভৃতির বিকার এমন কথা কেউ বলে না। এখানে প্লীহারোগ দেখা যায় না। গালে ছোটো ছোটো মাংসপিণ্ড হয় এরকম চর্মরোগও প্রজাদের মধ্যে দেখা যায় না। বস্তুতপক্ষে ব্যাধিশূন্য থাকাই আসল হুমুখ। এভাবেই আর্যাবর্তের মানুষ সংসারের সব সুখ ভোগ করে।

5) "कथं चासौ स्वर्गान्न विशिष्यते' ত্রিবিক্রমভট্টের এই উক্তির সার্থকতা প্রমাণ করো। অথবা, আর্যাবর্ত কীভাবে স্বৰ্গকেও ছাপিয়ে গেছে কৰি ত্রিবিক্রমভট্টের 'यवतवर्णनम्' অনুসারে তা বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ-  কবি ত্রিবিক্রমভট্টের ‘নলচম্পূ’ সংস্কৃত সাহিত্যের একটি অনবদ্য । কাব্য। এই কাব্যের প্রথম উচ্ছ্বাসের অন্তর্ভুক্ত ‘আর্যাবর্তবর্ণনম্' নামক পাঠ্যাংশটি। এখানে কবি ভঙ্গশ্লেষ অলংকার প্রয়োগ করে। কীভাবে আর্যাবর্ত স্বৰ্গকেও ছাড়িয়ে গেছে তা দেখিয়েছেন।
    
      স্বর্গে মাত্র একজন গৌরী অর্থাৎ হিমালয়-দুহিতা উমা। কিন্তু আর্যাবর্তে ঘরে ঘরে ‘গৌর্যঃ নার্যঃ' অর্থাৎ ঘরে ঘরে গৌরী নারীরা অর্থাৎ শুভ্রবর্ণা নারীরা।

     স্বর্গে মাত্র একজন মহেশ্বর অর্থাৎ শিব। কিন্তু আর্যাবর্তে ঘরে ঘরে ‘মহেশ্বরো লোকঃ' অর্থাৎ ঘরে ঘরে অতি-সমৃদ্ধ লোকজন।

   স্বর্গে মাত্র একজন সশ্ৰীক হরি অর্থাৎ মাত্র একজন বিন্নু যিনি লক্ষ্মীর সাথে বিরাজমান। কিন্তু আর্যাবর্তে ঘরে ঘরে ‘সশ্রীকা হরয়ঃ' অর্থাৎ ঘরে ঘরে সুন্দর সুন্দর ঘোড়া।

   স্বর্গে মাত্র একজন ধনদ অর্থাৎ কুবের। কিন্তু আর্যাবর্তে ‘ধনদাঃ ভবন্তি লোকপালাঃ' অর্থাৎ অজস্র লোকপাল রয়েছেন যাঁরা বিভিন্ন স্থানে অর্থসম্পদ দান করেন।

       স্বর্গে সুরাধিপ রাজা অর্থাৎ দেবরাজ ইন্দ্র আছেন আর বিনায়ক অর্থাৎ সিদ্ধিদাতা গণেশও আছেন। আর্যাবর্তে সুরাধিপ অর্থাৎ মদ্যপায়ী রাজা তো আছেনই। তবে, কোনো বিনায়ক নেই অর্থাৎ কোনো বিরোধী নায়ক (শত্রু রাজা) নেই। এভাবে আর্যাবর্ত স্বৰ্গকেও ছাপিয়ে গেছে।

6) 'आयवर्तवर्णन' অনুসারে আর্যাবর্তের গ্রাম ও শহরের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ-  কবি ত্রিবিক্রিমভট্ট তাঁর ‘আর্যাবর্তবর্ণনম্' নামক কাব্যাংশে ভঙ্গশ্লেষ অলংকার প্রয়োগের মাধ্যমে আর্যাবর্তের এক মনোজ্ঞ ও কৌতূহলোদ্দীপক বর্ণনা দিয়েছেন। সেই বর্ণনা থেকে গ্রাম ও শহরের বর্ণনাটি পৃথকভাবে উপস্থাপিত করা যায়।

        আর্যাবর্তের গ্রামগুলির প্রথমেই চোখে পড়ার মতো বৈশিষ্ট্য হল এখানে প্রচুর গোয়ালা। তাদের স্বভাবও কবির চোখ এড়ায়নি। এই সব গোয়ালারা খুব চালাক। তাই কবি বলেছেন “চতুর-গোপ   শোভিতাঃ গ্রামাঃ”। নগরের বিভিন্ন প্রান্তে উঁচু উঁচু সব ঘরবাড়ি। এখানকার সর্বত্র মানুষজনেরা খুব সৎ। তারা দানধর্মে বিশ্বাসী। তাঁরা অজস্র দান করেন। ভোগেও বিরত নন তাঁরা। আর্যাবর্তের মানুষেরা প্রকৃতি-সচেতন। বৃক্ষ-লতা-গুল্ম প্রভৃতিকে সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখার জন্য গ্রাম ও শহরের সর্বত্র অনেক বাগান নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে গাছগুলিকে সজীব রেখে তাদের উপকার করে পরিবেশকে সুস্থ রাখাই হল উদ্দেশ্য। এই দেশে আখের খেতে প্রচুর দানশালা নির্মাণ করা হয়েছে যেখানে আখের রস খেয়ে লোকেরা পরম তৃপ্তিলাভ করে।

      আর্যাবর্তে বড়ো বড়ো কুয়ো দেখা যায়। সেখানে কানা-ভাঙা কলসী সব কুয়োর পাশে পড়ে থাকে। কুয়োগুলো খুব গভীর এবং তাদের জল সুস্বাদু।

     আর্যাবর্তের গ্রামগুলোতে প্রচুর দুধেল গোরু। আর কুলনারীরা সতীব্রত পালন করে অত্যন্ত সাধ্বী জীবনযাপন করে।

নগরে উঁচু উঁচু সব বাড়ি। এখানকার মানুষজনের সৎ আচরণ দেশের অলংকার হয়ে আছে।

ত্রিবিক্রমভট্ট এইভাবেই আর্যাবর্তের গ্রাম ও শহরের বর্ণনা উপস্থাপিত করেছেন।

7) 'समस्तयधयतिक: पुरुषायषजवि: - প্রজাদের দীর্ঘজীবনের কারণ বর্ণনা করো। 
উত্তরঃ-  কবি ত্রিবিক্রমভট্ট তাঁর ‘আর্যাবতবর্ণনম্’ নামক কাব্যাংশে আর্যাবর্ত দেশের এক সুললিত বর্ণনা দিয়েছেন। এখানে এই ভূখণ্ডের অনেক বৈশিষ্ট্য তিনি তুলে ধরেছেন। তার মধ্যে ‘সমস্তব্যাধিব্যতিকরাঃ পুরুষায়ুষজীবিন্যঃ’ উদ্ধৃত এই বাক্যটিতে আর্যাবর্তের মানুষজনের দীর্ঘ জীবন লাভের কারণ বলা হয়েছে। আর্যাবর্তের মানুষেরা ধর্মপ্রাণ। ধর্মকর্ম তাঁদের জীবনের একটি অঙ্গ। আর তার প্রভাবে এই ভূখণ্ডের মানুষ সমস্ত রোগের কবল থেকে মুক্ত হয়ে গেছেন। তাই তাঁরা পুরুষায়ুষ অর্থাৎ মানুষের স্বাভাবিক জীবৎকাল অর্থাৎ ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকেন। আর এই দীর্ঘ জীবনে তাঁরা অসুখবিসুখে পড়েন না। কবি বলছেন— এখানকার মানুষদের ফোড়া ঘা দেখা যায় না। এখানে মানুষকে শনি-রাহু প্রভৃতি গ্রহের ফেরে পড়তে হয় না। আর্যাবর্তের মানুষেরা ভূতপ্রেত প্রভৃতির দ্বারা কবলিত হন না। এখানকার মানুষেরা গুল্মরোগ অর্থাৎ প্লীহারোগাক্রান্ত হন না। বা, গলগণ্ড হতে দেখা যায় না। এইভাবে নীরোগ শরীর ধারণের ফলেই আর্যাবর্তের মানুষেরা দীর্ঘ জীবন লাভ করেন।


আরও দেখুন 👇👇

কর্মযোগ -Click here 

বনগতা গুহা - Click here


......যদি কোনো ভুল থেকে থাকে তা Typing mistake এর জন্য। আমাদের কমেন্ট করে জনান আমরা সংশোধন করার চেষ্টা করবো। .........



বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কৃত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও আবশ্যিক বিষয়। তাই এই কথা মাথায় রেখে সমস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা Easy Study Portal- এর সাহায্যে সংস্কৃত সহ অন্যান্য বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো।




  ” উচ্চ মাধ্যমিক সংস্কৃত – আর্যাবর্তবর্ণনম্ (প্রথম অধ্যায়) “ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (Higher Secondary / HS Exam / WBCHSE – West Bengal Council of Higher Secondary Sanskrit / HS Class 12th / Class XII / Uccha Madhyamik Pariksha) এবং । সে কথা মাথায় রেখে Easy Study  এর পক্ষ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত পরীক্ষা (দ্বাদশ শ্রেণী) প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন (Higher Secondary Sanskrit Suggestion / WBCHSE – West Bengal Council of Higher Secondary Sanskrit / HS Class 12th Sanskrit / Class XII Sanskrit / Uccha Madhyamik Pariksha / HS Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer / FREE PDF Download) উপস্থাপনের প্রচেষ্টা করা হলাে। ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষার্থীদের উপকারেলাগলে, আমাদের প্রয়াস  উচ্চ মাধ্যমিক সংস্কৃত পরীক্ষা (দ্বাদশ শ্রেণী) প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন (Higher Secondary Sanskrit Suggestion / WBCHSE – West Bengal Council of Higher Secondary Sanskrit / HS Class 12th Sanskrit / Class XII Sanskrit / Uccha Madhyamik Pariksha / HS Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer / FREE PDF Download) সফল হবে।  

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.