# Geography General -Rural Development- 6th সেমিস্টার (Part -8) - PMGSY: প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে অগ্রগতি (PMGSY : Progress during Phase and II) Rural Development -( ভূগোল ) Suggestion for 6th Semester of Calcutta University under CBCS System Geography Suggestions( BA General ) with Answer

       Geography General -Rural Development-   6th  সেমিস্টার (Part -8)    - PMGSY: প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে অগ্রগতি (PMGSY : Progress during Phase and II)  Rural Development  -(  ভূগোল  )   Suggestion for 6th  Semester of Calcutta University under CBCS System Geography  Suggestions( BA General ) with Answer 




BA 6th Semester Geography  Suggestions(BA 6TH SEMESTER ভূগোল  সাজেশন ) –  প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই BA 6th Semester Geography Suggestions(BA 6TH SEMESTER ভূগোল সাজেশন )  Answer গুলি আগামী  BA 6TH SEMESTER ভূগোল সালের পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট। আপনারা যারা BA 6TH SEMESTER ভূগোল পরীক্ষার সাজেশন খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্নপত্র ভালো করে পড়তে পারেন। এই পরীক্ষা তে কোশ্চেন গুলো আসার সম্ভবনা আছে।

 

Rural Development 

🌸🌹🌸🌹🌷🌺🌻 

 Geography 

ব্যাখ্যামূলক / রচনাধর্মী  প্রশ্নঃ 

🌸🌹🌹🌸//////*******///////🌼🌺🌿🌿

PMGSY: প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে অগ্রগতি (PMGSY : Progress during Phase and II)

 🌸🌹🌹🌸//////*******///////🌼🌺🌿🌿


উত্তরঃ  




ভারতে গ্রামাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করে তোলাই প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার (PMGSY) উদ্দেশ্য ছিল। 2000 সালে এই প্রকল্প শুরুর সময় থেকে 2018-19 পর্যন্ত ভারতে প্রায় 1:52 লক্ষ গ্রামীণ জনবসতিতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মিত সড়কের সহায়তায় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা সম্ভব হয়েছে। জনসংখ্যার নিরিখে যেসব জনবসতি এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য ছিল তেমন 1-78 লক্ষ জনবসতির প্রায় 85% জনবসতিই উপকৃত হয়েছে।

উল্লেখ্য যে 2005 সালে যখন ইতিপূর্বে গৃহীত ভারত নির্মাণ প্রকল্পটিকে PMGSY প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তখন এই PMGSY প্রকল্পের নতুন গতি সঞ্চার হয়। ভারতের গ্রামীণ উন্নয়নে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন করে PMGSY-এর প্রথম পর্বের কাজ 2019 সালের মধ্যে সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত হয় (এই পর্বের কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিল 2022 সালে)। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই প্রকল্পে সুবিধা পাওয়ার যোগ্য 1-78 লক্ষ জনবসতির 93% বসতিতেই সড়ক নির্মাণ কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেখা যায়, 2017-18 সালের মধ্যে ভারতের 11,499 টি সম্পূর্ণ যোগাযোগবিহীন গ্রামীণ বসতিকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগের সুবিধা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। 2018-19 সাল পর্যন্ত এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় 6.9 লক্ষ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক নির্মিত হয়েছে (Fig-7)।

এই প্রকল্পটি একটি কেন্দ্র-অনুমোদিত ও কেন্দ্রের অর্থানুকূল্যে রাজ্য সরকারগুলির সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে রূপায়ণযোগ্য প্রকল্প। উচ্চ গুণমান সম্পন্ন গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে এই প্রকল্পে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেখা যায় 2017-18 সাল নাগাদ এই প্রকল্প অনুযায়ী ভারতে গ্রামাঞ্চলে দৈনিক গড়ে প্রায় 134 কিলোমিটার রাস্তা নির্মিত হয়েছে। 2011-14 সময়কালে এই পরিমাণ ছিল গড়ে দৈনিক 73 কিলোমিটার।

PMGSY প্রকল্পের বৈশিষ্ট্যসমূহ (Features of PMGSY) প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার কিছু বৈশিষ্ট্য হল নিম্নরূপঃ

(ক) উন্নত মানের সড়ক নির্মাণ: PMGSY প্রকল্পে শুধু গ্রামাঞ্চলে সড়ক নির্মাণই নয়, উন্নত মানের সড়ক নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্মিত সড়কের গুণমান নির্দিষ্ট মাপকাঠি বজায় রেখে করা হয়েছে কিনা সেই বিষয়ে সরকারি দপ্তরগুলিতে গুণমান পরিমাপের ব্যবস্থা রাখা হয় এবং এ ছাড়া স্বাধীন কোনো সংস্থার মাধ্যমেও এই মান নির্ণয় করা হয়। যেমন 2017-18 সালে রাজ্যস্তরে মান তদারককারী দল (State Quality Monitors) প্রায় 39,800 টি পরিদর্শন করে এবং জাতীয় স্তরে মান তদারককারী দল প্রায় 9,200 টি এমন পরিদর্শন করে। 2013-14 সালে এমন তদারকির মাধ্যমে নির্মিত গ্রামীণ সড়কের প্রায় 14% সন্তোষজনক নয় বলে রিপোর্ট জমা পড়ে। 2017-18 এই অসন্তোষজনক নির্মাণের অংশ কম হয় 7.5\% ।

(খ) প্রকল্পের কাজে স্বচ্ছতা : এই প্রকল্পের কাজে অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হচ্ছে কিনা সেই হিসেব-নিকেশে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়। এক্ষেত্রে জনসাধারণের মতামতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। জনগণ যাতে সহজে তাদের মতামত জানাতে পারে সেজন্য সরকার পক্ষ থেকে একটি 'মোবাইল অ্যাপ' (mobile app)— 'মেরি সড়ক অ্যাপ' চালু করা হয়। 

(গ) নয়া প্রকৌশল এবং পরিবেশ-বান্ধব সড়ক PMGSY প্রকল্পে সড়ক নির্মাণে পরিবেশ-বান্ধব প্রকৌশল এবং উপকরণ ব্যবহার করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সড়ক নির্মাণে স্থানীয় উপকরণ (যেমন, প্লাস্টিক আবর্জনা, ছাই, পাট এবং নারিকেল দড়ি শিল্পে উৎপাদনের আবর্জনা, লোহা ও তামা শিল্পে উৎপাদনের আবর্জনা, ইত্যাদি) ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সব ঋতুর উপযোগী রাস্তা নির্মাণে পরিবেশ-বান্ধব নয়া কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। 2017-18 সালে এমন প্রকৌশল ব্যবহার করে প্রায় 6,313 কিমি দীর্ঘ গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে রাজস্থান, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড প্রভৃতি রাজ্য উপকৃত হয়েছে।

(ঘ) নির্মিত সড়ক সংরক্ষণে সামাজিক উদ্যোগ : গ্রামাঞ্চলে এই প্রকল্পে নতুন সড়ক নির্মাণ করলেই চলবে না, তার যথাযথ সংরক্ষণ হওয়া দরকার। এই উদ্দেশ্য সামনে রেখে সরকার 23 টি রাজ্যে এই প্রকল্পের অধীনে নির্মিত সড়কগুলির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতি প্রণয়ন করে এবং এজন্য তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় 'e-Marg' (ই-মার্গ) নামে একটি সফটওয়্যার নির্মাণ করা হয়। সড়কগুলির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয় স্ব-নির্ভর দলের সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই বিষয়টিকে ‘সামাজিক চুক্তি বা বরাত' বা 'Community Contracting' বলা হয়েছে। যেমন, উত্তরাখন্ড রাজ্যে PMGSY প্রকল্পে নির্মিত রাস্তাগুলির দেখভালের জন্য 'উত্তরাখণ্ড গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন এজেন্সি' গড়ে তোলা হয়েছে যার মূল কারিগর হল বেশকিছু স্থানীয় স্ব-নির্ভর দল এবং তাদের মহিলা সদস্যবৃন্দ। দেশের অনেক পাহাড়ি অঞ্চলে এইভাবে স্থানীয় মানুষেরা অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সততার সাথে গ্রামীণ সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করে চলেছে। এর ফলে তাদের কাজের সুযোগ এবং উপার্জন ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

(ঙ) তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে সরকারের পক্ষে এখন PMGSY প্রকল্পে নির্মিত সড়কসমূহের উপগ্রহ-চিত্র তুলে রাখা এবং বিভিন্ন অঞ্চলে জনবসতির অবস্থা সহজেই অনুমান করা সম্ভব হচ্ছে। এই উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে কাজের অগ্রগতি সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করার (GIS ব্যবস্থা) ব্যবস্থা ভারতের 28 টি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে। এইভাবে খুব সহজেই ভারতে বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার মানচিত্র প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে।



PMGSY এর মূল্যায়ন (Evaluation of PMGSY) 

ভারতে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা বিষয়ে যেসব সমীক্ষা এবং গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে তার ভিত্তিতে গ্রামীণ উন্নয়নে এই প্রকল্পের কিছু সদর্থক প্রভাব আলোচনা করা যেতে পারে।

(১) প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি: PMGSY প্রকল্পটির মাধ্যমে 2000-16 সময়কালে প্রায় 4.66 লক্ষ কিমি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ হয়েছে এবং প্রায় 1-68 লক্ষ কিমি গ্রামীণ সড়কের মেরামতি কাজ হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, যেসব রাজ্যে গ্রামাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত অনুন্নত ছিল তেমন বেশ কয়েকটি রাজ্য (যেমন, মধ্যপ্রদেশ (63,548 কিমি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ হয়), রাজস্থান (58,462 কিমি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ হয়), উত্তরপ্রদেশ (45,905 কিমি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ হয়), বিহার (35,510 কিমি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ হয়) ইত্যাদি) এই প্রকল্পের মাধ্যমে অশেষ উপকৃত হয়েছে।

(২) উৎপাদিকা শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা ঃ এই প্রকষ্যের মাধ্যমে যখন সড়ক যোগাযোগবিহীন বসতিগুলিকে উপযুক্ত সড়কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়, তখন প্রত্যেকটি জনবসতি প্রায় 200-300 গ্রামের সাথে সহজেই সংযুক্ত হতে পারে এবং প্রায় 50(WW 1,00,000 ভোক্তাদের সাথে সংযোগ স্থাপন হয়। ফলে গ্রামাঞ্চলে উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী সহজে নিকটবর্তী বাজারে বিক্রয় করা সহজ হয়। এর ফলে স্থানীয় উদ্যোক্তারা উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের উৎপাদিকা শক্তিও বৃদ্ধি পায়

 (৩) পচনশীল দ্রব্যসমূহের পরিবহণ সহজতর হয়ঃ  স্থানীয়ভাবে মাছ, সবজি, দুধ, ডিম ইত্যাদি পচনশীল খামারজাত তবা সহজেই একটি অঞ্চল থেকে উন্নত গ্রামীণ সড়কের মাধ্যমে অন্যান্য অঞ্চলে বা পাইকারি বাজারে বিক্রয়ের জন্য নিয়ে যাও সম্ভব হয়। একইভাবে অনেক উৎপাদন ও বিক্রেতা গ্রামাল্গুলে তাদের উৎপাদিত ভোগ্যদ্রব্য গুচরো বিক্রয়ের জন্য নিয়ে আসাতে সমর্থ হয় (যা ইতিপূর্বে সম্ভব ছিল না)।

(8) দক্ষতা ও সমতাঃ অনেক সমীক্ষাতেই প্রমাণিত হয়েছে যে, PMGSY প্রকল্পটি দক্ষতা ও সমতা সৃষ্টির নিরিখে যথেষ্ট সঙ্গ কারণ এই প্রকল্প অনুযায়ী যে ঠিকাদার সংস্থাকে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের চুক্তি দেওয়া হয়, সেই সংস্থার ওপরেই নির্মাণ হস্ত সমাপ্তির পর 5 বছর পর্যন্ত ওই সড়কের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব থাকে, সেই কারণে ঠিকাদার সংস্থ্য ব্রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ভার লাঘবের জন্য ভাল উপকরণ দিয়ে সড়ক নির্মাণ করে। ফলে মূলধন ব্যবহারে দক্ষতা নিশ্চিত করা যায় এ ছাড়া এই প্রকল্পের কাজ সমাধা হলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি পরিমাণে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ লাভ করে। কলে গ্রামীণ আয় বণ্টনে সমতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

(৫) উপযুক্ত অর্থসংস্থানঃ  সরকারের তরফে এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দে কখনও বিশেষ গাফিলতি দেখা যায়নি। ফলে প্রকল্পের কাজে আশানুরূপ অগ্রগতি হয়।

(৬) গড় পরিবহণ ব্যয় হ্রাস ঃ গ্রামাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার ফলে গ্রামাঞ্চল থেকে উৎপাদিত পণ্য নিকটবর্তী বাজারে পৌঁছানোর জন্য গড় পরিবহণ ব্যয় হ্রাস পায়। এর ফলে গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের গড় উপার্জন বৃদ্ধি পায়।

(৭) শস্যচাষে বিভিন্নতা সৃষ্টির উৎসাহ : গ্রামীণ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার ফলে এবং সহজেই উৎপন্ন ফসল বাজারজাত করার সুযোগ সৃষ্টির ফলে কৃষকেরা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শস্যচাষে আগ্রহী হয়। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।

(৮) অতিরিক্ত কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ সৃষ্টি ঃ গ্রামাঞ্চলে সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থা উন্নত হবার ফলে তার পশ্চাদ্‌গামী সংযোগ প্রভাবে (backward linkage effect) গ্রামীণ খামার । খামার-বহির্ভূত ক্ষেত্রে উৎপাদকেরা উপকৃত হয় এবং তারা বর্ধিত উৎপাদনে আগ্রহী হয়। অন্যদিকে এই প্রকল্পের অগ্রগামী সংযোগ প্রভাব (forward linkage effect) হিসাবে গ্রামাঞ্চলে অনেক উদ্যোক্তা পরিবহণ পরিসেবার সাথে যুক্ত হয় এবং ব্যবসায়িকভাবে এই পরিসেবা শুরু করে। এইভাবে PMGSY প্রকল্পে সংযোগ প্রভাবের ফলে গ্রামাঞ্চলে অতিরিক্ত কর্মসংস্থান ও আয়সৃষ্টির সুযোগ সৃষ্টি হয়।

(৯) গ্রামীণ দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়তাঃ যেহেতু PMGSY প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে দরিদ্র মানুষের মধ্যে বাড়তি কর্মনিয়োগ এবং আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়, সেহেতু বলা যায় যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ দারিদ্র্য সমস্যার কিছুটা সুরাহা হয়েছে। দেখা যায় যে, সড়ক নির্মাণ কাজের সমাপ্তির পর 5 বছর পূর্ণ হলে রাজ্য সরকারগুলির দায়িত্ব থাকে সড়কগুলির রক্ষণাবেক্ষণ করা। তখন অনেক ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকার স্থানীয় স্ব-নির্ভর দলগুলির দরিদ্র মহিলা সদস্যদের এই কাজে নিযুক্ত করে এবং তার ফলেও তাদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

(১০) স্থানীয় বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি : গ্রামাঞ্চলে সকল ঋতুর উপযোগী সড়ক নির্মাণ করা হলে দূরদূরান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা বছরের সব সময়ে সেই সড়কপথে বিদ্যালয়ে গমনাগমন করতে পারে। ইতিপূর্বে দেখা যেত যে, বর্ষাকালে গ্রামাঞ্চলে বহু কাঁচা রাস্তাই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে বেগ পেত। স্কুলছুটের সমস্যাও সৃষ্টি হত। এইসব সমস্যা অনেক কমে এসেছে।

PMGSY প্রকল্পের ফলে ভারতে গ্রামীণ উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় নানা সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে সন্দেহ নেই, কিন্তু তা সত্ত্বেও এই প্রকল্পের কিছু অসুবিধাও চোখে পড়ে। এই অসুবিধাগুলি উল্লেখ করা হল :

(১) গ্রামীণ রাস্তাগুলির উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের সমস্যা ঃ আমরা আমাদের আলোচনায় ইতিমধ্যেই উল্লেখ করেছি যে, PMGSY প্রকল্পের অধীনে যে গ্রামীণ সড়কগুলি নির্মিত হয় তার নির্মাণকাজ সমাপ্তির প্রথম পাঁচ বছর ওই সড়কে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব থাকে নির্মাণকাজে নিযুক্ত ঠিকাদার সংস্থার ওপর। কিন্তু এই পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেইসব সড়কের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বর্তায় রাজা সরকারের ওপর। কিন্তু অনেক রাজ্যেই দেখা গেছে রাজ্য সরকারের পক্ষে আর্থিক অসুবিধার কারণে এই বায়ভার বহন করা সম্ভব হয় না। যদিও ত্রয়োদশ অর্থকমিশন রাজ্যগুলির জন্য এ বাবদ কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার উল্লেখ করেছে। কিন্তু সেটি ছিল সাময়িক বন্দোবস্ত। ফলে উপযুক্ত মেরামতির অভাবে অনেক গ্রামীণ সড়ক জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে।

(২) প্রকল্পের কাজ তদারকির জন্য উপযুক্ত কারিগরী জ্ঞান সম্পন্ন কর্মচারীর অভাব ঃ এই প্রকল্পের অধীনে নির্মীয়মান রাস্তাগুলির গুণগত মান পরীক্ষার জন্য যে ধরনের প্রকৌশলী দরকার বা উপযুক্ত কারিগরী জ্ঞানসম্পন্ন কর্মচারী দরকার তেমন কর্মচারীর জোগান সীমিত থাকায় তদারকির কাজ সুসম্পন্ন হয় না।

 (৩) প্রকল্প রূপায়ণে বিলম্ব ঃ এই প্রকল্পের প্রথম পর্বে অনেক সড়কের নির্মাণকাজ সময়মতো সম্পূর্ণ করা যায় নি। 2010 সালে

ভারতের পরিকল্পনা কমিশন এই প্রকল্প বিষয়ে যে রিপোর্ট পেশ করে সেখানেও দেখা যায় যে, 2000-08 সময়কালে নির্ধারিত

নির্মাণকাজের মাত্র 20% সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়েছিল। এই ধরনের বিলম্বের ফলে প্রকল্পখাতে ব্যয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

তবে এইসব অসুবিধা সত্ত্বেও বলা যায় যে, সামগ্রিকভাবে ভারতের গ্রামীণ উন্নয়নে PMGSY প্রকল্পটির অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।


=====================

TAG: Geography,B.A General,BA 6th Semester,

LINK: Geography-BA-General-B-A-6th-Semester

=====================


আরো দেখো 👉 

 

BA 6th Semester Geography Suggestions  90% common  ||   কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় 6th সেমিস্টার  ভূগোল সাজেশন  ||  90% common 
 ||




**** যদি কোন ভুল থেকে থাকে তবে তা   Typing mistake এর জন্য ।   আমাদের  comment   করে জানান  আমরা তা সংশোধন করে দেবার চেষ্টা করবো ****

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবেশ বিদ্যা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যিক  বিষয় । সেই প্রাথমিক স্তর থেকে মাধ্যমিক , উচ্চিমাধ্যমিক , স্নাতক , স্নাতকত্তর এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা যেমন WBCS , PSC , SSC , UPSC , WBP , Primary TET , SET , NET  প্রভৃতি ক্ষেত্রে পরিবেশ বিদ্যা একটি অতি গুরুত্ব পূর্ন বিষয় । 

তাই এই সবের কথা মাথায় রেখে আমরা  easystudy  e-Portal  এর সাহায্যে   সমস্ত শিক্ষার্থী দের কাছে এই সমস্ত বিষয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও সকল বিষয়ে  Online Exam   Practice এর ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো । 

এখানে মাধ্যমিকের মাধ্যমিক বাংলা , মাধ্যমিক ইংরেজী , মাধ্যমিক গণিত , মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান ও পরিবেশ , মাধ্যমিক ভৌত বিজ্ঞান ও পরিবেশ , মাধ্যমিক ইতিহাস ও পরিবেশ , মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ  , উচ্চ-মাধ্যমিক এর   ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর  ) বাংলা  , ইংরেজী , ভূগোল , শিক্ষা-বিজ্ঞান , দর্শন , রাষ্ট্র বিজ্ঞান , পরিবেশ পরিচয় , পুষ্টি বিজ্ঞান , সংস্কৃত ,  ইতিহাস ,  , স্নাতক ( জেনারেল )  কম্পালসারি বাংলা , কম্পালসারি ইংরেজী , কম্পালসারি পরিবেশ , বাংলা ( সাধারন ) , শিক্ষা বিজ্ঞান , দর্শন , ইতিহাস , ভূগোল , সমাজবিদ্যা , Physical Education ,  প্রভৃতির সমস্ত বিষয়ের প্রয়োজনীয় প্রশ্ন , সালের প্রশ্ন ও তার যথাযথ উত্তরসহ , এবং Online  পরীক্ষা অভ্যাসের সুযোগ থাকবে । 

Calcutta University  Under CBCS ( system ) , Semester (II) Education General  , BA 2nd Semester ( Education General ) Suggestions . HS Education suggestion , উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবিজ্ঞান ,  

 


Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.